বরগুনার আমতলী উপজেলায় ‘ডেভিল হান্ট অপারেশন-২’-এর আওতায় যুবলীগের সাবেক এক সহসভাপতিকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে। রাত ১১টার দিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ থানায় উপস্থিত হয়ে তাকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান।
আমতলী থানা সূত্রে জানা যায়, পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্দেহভাজন হিসেবে গুলিশাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি শাহীন গাজীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়। তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
পরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ থানায় উপস্থিত হয়ে শাহীন গাজীকে তাদের সংগঠনের কর্মী হিসেবে দাবি করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট কমিটিতে তার নাম অন্তর্ভুক্তির কাগজপত্রও উপস্থাপন করেন।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শাহীন গাজী ২০১৩ সালে গুলিশাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য যাচাইয়ে জানা গেছে, তিনি ২০২১ সালে যুবলীগ ছেড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দের জিম্মায় তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।