বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

আমতলীতে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে চাচাতো ভাই নিহত, ঘাতক গ্রেপ্তার

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮৯৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের চাচাতো ফরিদ সিকদারকে রক্ষা করতে এসে জহিরুল সিকদার আরেক চাচাতো ভাই মুনসুর সিকদারের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে শনিবার দুপুরে। পুলিশ ঘাতক মুনসুর সিকদারকে আটক করেছে পুলিশ।

জানাগেছে, উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের ফরিদ সিকদারের সঙ্গে মুনসুর সিকদারের ১০ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদ সিকদার ওই জমি চাষাবাদ করতে যায়। খবর পেয়ে মুনসুর সিকদার একটি ছুরি নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। এ সময় তিনি দৌড়ে আসার সময় মুনসুর তাকে লক্ষ করে ছুরি নিক্ষেপ করে। ওই ছুরি গিয়ে তার পায়ে পরে। তার ডাকচিৎকারে চাচাতো ভাই জহিরুল সিকদার ছুটে আসে। এ সময় ঘাতক মুনসুর সিকদারকে নিবৃত করতে চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে ঘাতক মুনসুর তাকে পেটে ছুরকাঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জান তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেছেন।

খবর পেয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন ও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক মুনসুর সিকদারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সজিব সিকদার বলেন, মুনসুর সিকদারের ছেলে জাকির সিকদার জমিজমা নিয়ে বংশের সকলের সাথেই ঝামেলা তৈরি করে আসছে। তার নির্দেশেই ১০ শতাংশ জমির বিরোধে আমার বাবা ফরিদ সিকদারকে ছুরিকাঘাত করতে যায়। আমার বাবাকে রক্ষায় চাচা জহিরুল সিকদার এগিয়ে আসলে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা কররেছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, নিহত জহিরুল সিকদারকে হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছে। তার পেটে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম মাসুম বলেন, ঘাতক মুনসুর সিকদারকে আটক এবং ছুরিও জব্দ করা হয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..