শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুয়াকাটায় রাখাইনদের মহা সাংগ্রাই জলকেলী উৎসব—ঐতিহ্য, পবিত্রতা আর আনন্দে মুখর সমুদ্রপাড় মোরেলগঞ্জে জলাবদ্ধতায় চাষাবাদ ব্যাহত, পানি নিষ্কাশন ও ¯স্লুইজ গেটের দাবিতে মানববন্ধন গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু শূন্য, তবে রোগীর চাপ বাড়ছে ময়মনসিংহ মেডিকেলে বাংলাভাষী পাঠকদের মাঝে পাঠাভ্যাস বাড়াতে হবে: ড.মিজানুর রহমান আজহারি তাড়াইলে ‘জনতার নজরুল’ এনামুল হক ভূঁইয়ার সংগ্রাম, রাজনীতি ও জনসেবার গল্প নানা আয়োজনে সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে বাংলা নববর্ষ উদযাপন রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ আমতলীতে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩ তাড়াইল প্রশাসনের উদ্যোগে ঝাকজমকভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন মোরেলগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত

প্লাস্টিক থেকে জ্বালানি গ্যাস তৈরি করে তাক লাগালো ভোলার কলেজ ছাত্র

সাব্বির আলম বাবু (ভোলা ব্যুরো চিফ):
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২
  • ৬২৯৫ বার পঠিত

ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানি গ্যাস তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোলার কলেজছাত্র মো. সাজেদুল ইসলাম। সে ভোলা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

সে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় তার তৈরি প্রজেক্ট প্রদর্শন করে সবার দৃষ্টি কেড়েছে। কলেজছাত্র সাজেদুলের তৈরি প্রজেক্ট এক নজর দেখতে ভিড় করেন মেলায় আসা দর্শনার্থীরা। সাজেদুল জানায়, অনেক দিন ধরেই তার মাথায় একটি আলাদা কিছু তৈরি করার ইচ্ছা ছিল। সেই ইচ্ছা থেকেই সে বাজারের ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে জ্বালানি গ্যাস তৈরির প্রজেক্ট হাতে নেয়। এ প্রজেক্টে প্রথমে প্লাস্টিক বর্জ্য লোহার তৈরি বোতলে সৌর শক্তির মাধ্যমে গলানো হয়। পরে তা পাইপ দিয়ে ঠান্ডা পানির দ্বিতীয় বোতলে যায়। এরপর তৃতীয় বোতলে প্লাস্টিকটি অপরিশোধিত তেল হিসেবে জমা হয়। তারপর সেখান থেকে তা ঠান্ডা পানির চতুর্থ বোতলে যাবে। এরপর পঞ্চম ধাপে একটি পেট্রলের বোতলে যাবে। ওই পেট্রল অল্প পরিমাণে থাকবে কিন্তু শেষ হবে না। এরপর শেষ ধাপে ষষ্ঠ পর্যায়ে এটি মিথেন গ্যাসে পরিণত হয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

কলেজছাত্র সাজেদুল বলে, অনেক যাচাই-বাচাই করে আমি প্রজেক্টটি তৈরি করেছি। তবে বড় প্রজেক্ট তৈরি করে সবাই এভাবে প্লাস্টিক থেকে তৈরি গ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহার করতে পারবে। এ কাজে তার সহপাঠী শাহরিয়ার জিহান, তালহা মাহমুদ, আরাফাত রহমান, আশাদুজ্জামান, মাহামুদুর রহমান ও মাহাফুজুর রহমান সহযোগিতা করেছে।

ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সাজেদুলের প্লাস্টিকের বর্জ্য দিয়ে তৈরি করা গ্যাস প্রজেক্টটি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় একটি অন্য রকমের আইটেম ছিল। আমরা তার প্রজেক্টটি দিয়ে ভাবিষ্যতে কিছু করার বিষয়ে ভাবছি।

এর আগে সদর উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন ভোলা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী। মেলায় ২৫টি স্টল বসে। এতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে। স্টলগুলোতে ডিজিটাল সেবার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীরা তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবন প্রদর্শন করে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..