বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সান্তাহারে যুবসমাজকে খেলাধুলা মুখী করতে বল বিতরণ আমতলীতে পিভিএ ও এনএসএস-এর উদ্যোগে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা বিতরণ বন্ধ কারখানা মালিকদের সুখবর দিল প্রধানমন্ত্রী কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ তাড়াইল সদর ইউনিয়নে দুঃসময়ের সুহৃদ সাথী নূরে আলম সিদ্দিকী বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম-পরিচালক মাহফুজ উল আলমের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির উদ্যোগে অতিরিক্ত ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ

‘ন্যায়কুঞ্জ’ বাস্তবায়ন হলে বিচারপ্রার্থীরা তাদের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে- ভোলায় প্রধান বিচারপতি

সাব্বির আলম বাবু (নিজস্ব প্রতিবেদক):
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩
  • ৫৯৬৯ বার পঠিত

ভোলা জেলার আদালত প্রাঙ্গণে আগত বিচারপ্রার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

রবিবার আদালত চত্তরের পুকুর পাড়ে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ। প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৯২ স্কয়ার ফুট জমির উপর স্থাপনাটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে জেলা গণপূর্ত বিভাগ। এর আগে আদালতের হল রুমে এই উপলক্ষে বিচার বিভাগের আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ও দায়রা জজ এ,এইচ, এম মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন- সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ। এ সময় প্রধান অতিথি বলেন, আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীদের সেবা দিতে এই ন্যায়কুঞ্জ স্থাপন করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। কারণ দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীদের আদালতের বারান্দা, চায়ের দোকান কিংবা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে হয়। তাদের জন্য নেই কোন ভালো অবকাঠামো। এই বিষয়গুলো অনুধাবন করে সরকার দেশের প্রত্যেক আদালত প্রাঙ্গণে একটি করে ন্যায়কুঞ্জ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়।

তিনি বলেন, এই ন্যায়কুঞ্জে নারীদের জন্য ব্রেস্টফিডিং কর্নার, পরিচ্ছন্ন টয়লেটসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকছে। এটি বাস্তবায়ন হলে বিচারপ্রার্থীরা তাদের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে। এখানে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী, জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আনোয়ারুল হক, জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. কে এম শফিকুজ্জামান, কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের জোনাল কমান্ডর ক্যাপ্টেন শহিদুল হক, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরিফ মো. সানাউল হক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. এডভোকেট সালাউদ্দিন হাওলাদার প্রমুখ।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..