বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : তারেক রহমান তালতলীতে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম, ভাতিজাসহ হাসপাতালে ভর্তি বরগুনায় নারী ও শিশু আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপুকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের দাবি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পাশাপাশি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এর সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ ইয়াসের খান চৌধুরী  নান্দাইলে রাজগাতী ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনোত্তর আলোচনা সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীকে অভিনন্দন  চাঁদা বন্ধ, বেড়েছে দখলদারিত্ব : মিরপুর সড়কে বেপরোয়া হকারে জনভোগান্তি চরমে ফ্যামিলি কার্ড কিভাবে পাবেন ? আবেদনে যা লাগবে ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করলে দলমত নির্বিশেষে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি উন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততায় জোর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে এমপি ড. কেরামত আলীর দিনব্যাপী গণসংযোগ

পটুয়াখালী যৌনপল্লীতে চড়া সুদের ঋণের ফাঁদ মুক্তি চাইছেন ভুক্তভোগী নারীরা, গণমাধ্যমে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৭৮২ বার পঠিত

পটুয়াখালী যৌনপল্লীতে চড়া সুদের ঋণের ফাঁদে পড়ে বহু নারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন এমন অভিযোগ এনে মুক্তির আবেদন জানিয়েছেন এক ভুক্তভোগী নারী। সম্প্রতি পটুয়াখালী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাব বরাবর দেওয়া এক লিখিত আবেদনে তিনি বিষয়টি অনুসন্ধান করে গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

আবেদনকারী সোহেলী বেগম (৩৪) দুই সন্তানের জননী। তিনি জানান, চরম আর্থিক সংকট ও পারিবারিক অসহায়ত্বের কারণে ২০১৩ সালে দালালের মাধ্যমে যৌনপল্লীতে যুক্ত হন। অল্প কিছু দিনের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও দীর্ঘ ১৩ বছর পরও তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পল্লীর ভেতরে কিছু বাড়িওয়ালা ও অসাধু চক্রের মাধ্যমে চড়া সুদে ঋণ দেওয়ার একটি অমানবিক প্রথা চালু রয়েছে। আর্থিক সংকটের সুযোগ নিয়ে নারীদের ঋণ নিতে বাধ্য করা হয়। একবার ঋণ গ্রহণের পর সুদের বোঝা এমনভাবে বাড়তে থাকে যে বছরের পর বছর কাজ করেও মূল টাকা পরিশোধ করা সম্ভব হয় না। ফলে তারা কার্যত ঋণ দাসত্বে আবদ্ধ হয়ে পড়েন।

সোহেলী বেগমের দাবি, এই ঋণচক্রের কারণে মানসিক চাপ, সামাজিক অপমান এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের। অনেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইলে প্রভাবশালী চক্র ও ঋণদাতাদের চাপে তা সম্ভব হয় না।

আবেদনে তিনি বিষয়টি অনুসন্ধান করে গণমাধ্যমে প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে যৌনপল্লীতে চড়া সুদের ঋণ কার্যক্রম বন্ধ, দায়মুক্তির ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগী নারীদের পুনর্বাসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভুক্তভোগী নারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ উন্মুক্ত হতে পারে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..