মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আজ বাঙালি জাতির গৌরবময় মহান বিজয় দিবস নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত : সিইসি ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি গড়ে দেবে : উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও আইজিপির শ্রদ্ধা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে হাতপাখা প্রতীকের শক্তি প্রদর্শন: প্রার্থীর নেতৃত্বে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বেগম খালেদা জিয়াকে বিষ দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল : সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রিকশার শোডাউন: মুফতি হাদীর প্রচারণায় উৎসবমুখর শহর মির্জাগঞ্জের নবাগত ইউএনও’র সাথে এমজেএফ নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ জনশক্তি রপ্তানি: মালয়েশিয়া ‘চক্রের হোতা’ স্বপনের ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

টাকার প্রলভন দেখিয়ে বিদেশে পাচার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬১২৯ বার পঠিত

‘আরব আমিরাতের ড্যান্স ক্লাবে চাকরির জন্য প্রতি মাসে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে এমন প্রতিশ্রুতি দেয় ওই দেশের জিয়া নামের এক ব্যক্তি। এ ছাড়া পাসপোর্ট ও ভিসার কাজ সবই তার বাংলাদেশে এজেন্ট শহিদুলের মাধ্যমে করিয়ে দিয়েছে। এমনকি বিদেশ যাওয়ার আগে আমাকে ৩০ হাজার টাকাও দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে একবার পাঠানোর চেষ্টা করে। ইমিগ্রেশন থেকে আমাকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে হুমকি দিতে শুরু করে জিয়া ও তার এজেন্টরা’—বলছিলেন দুবাইয়ের মানবপাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার হওয়া খুলনার মনিরা (ছদ্মনাম)।

মনিরা আরও বলেন, ‘ওরাই টিকিট ও ভিসার কাজ সম্পন্ন করে আমাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেয়। কিন্তু ভিসায় সমস্যা থাকায় ইমিগ্রেশন থেকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয় আমাকে। তারপর বাড়ি চলে যাই। বিদেশ যাবো না বলে ঠিক করি। কিন্তু শহিদুল আমার বাবা-মাকে বিভিন্নভাবে বাড়িতে গিয়ে বুঝিয়েছে। ঢাকায় যখন আসি তখন আমাদের একটি হোটেলে রাখা হয়। পরে জানতে পারি আমার মতো আরও অনেক মেয়েকেই ওরা বিদেশ যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা দিচ্ছে। আমাকে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছে। অনেককে ৫০ হাজার টাকাও দিয়েছে।’

জিয়ার সঙ্গে পরিচয়ের বিষয়ে মনিরা বলেন, ‘আমার বাড়ির পাশেরই এক আপা দুবাইতে ড্যান্স ক্লাবে কাজ করে বলে আমাকে জানায়। তিনি বলেন, আমিও যাবো কিনা, পাসপোর্ট হয়েছে কিনা। আমি বলি আমার পাসপোর্ট নেই। উনি বলেন, তুমি যেতে চাইলে পাসপোর্ট করিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারি। সেই আপা জিয়ার সঙ্গে আমাকে মোবাইলে পরিচয় করিয়ে দেয়। তারপর জিয়া তার এজেন্ট শহিদুলের মাধ্যমে আমাকে পাসপোর্ট করিয়ে দেয়। পরে আর ওই আপার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। যতদূর জানি তিনি দুবাই চলে গেছেন।’

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..