ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ৫নং শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ইউনিয়নবাসী। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে পরিষদের নিয়মিত প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন নাগরিক সেবার ওপর।
বর্তমানে শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশ সনদ, চারিত্রিক সনদসহ অতি প্রয়োজনীয় জরুরি কাগজপত্র তুলতে এসে প্রতিদিন সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত মানুষ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও স্বাক্ষর করার মতো দায়িত্বশীল কেউ না থাকায় কোনো সমাধান ছাড়াই ক্ষোভ প্রকাশ করে ফিরে যাচ্ছেন।
স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, “একটি চাঁদাবাজি মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে পুরো ইউনিয়ন পরিষদের কাজ বন্ধের উপক্রম হয়েছে। সামান্য একটা প্রত্যয়ন পত্র বা সার্টিফিকেটের জন্য দিনের পর দিন ঘুরেও আমরা তা পাচ্ছি না। আমরা দ্রুত এই অচলাবস্থা নিরসন এবং সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ লাঘবের জোর দাবি জানাচ্ছি।”
৫নং শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের এই সাময়িক সংকট কাটিয়ে জনসেবা পুনরায় সচল করতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত বিকল্প ও জরুরি প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।