শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গোলাপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি অফিসের চেয়ারে বসে তরুণীর টিকটক ভিডিও আমতলীতে যুবদল নেতার জামায়াতে যোগদান মুরাদনগরে সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন নেত্রকোনার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান ভূতাইল সেতুবন্ধন প্রবাসী মানব কল্যাণ সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা রংপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেরিনা লাভলীর বাসায় পুলিশের তল্লাশি তাড়াইলে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের প্রদর্শনী, কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ বেতাগীতে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আমতলীতে কলেজ ছাত্রী অপহরণ মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার বন্ধ হচ্ছে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি সহ তিন স্থলবন্দর-উপদেষ্টা পরিষদ যে বয়সে বই-খাতা হাতে স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে অটোরিকশার স্টিয়ারিং হাতে শিশুরা

আমতলীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ কেটে সাবাড়

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৭৬৩ বার পঠিত
আমতলীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ কেটে সাবাড় ------- সংগৃহীত ছবি

বরগুনার আমতলী উপজেলার চুনাখালী বাজার স্লুইজগেট সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দুই পাশের শতাধিক মেহগনি, রেইন্টি ও চাম্বলসহ বিভিন্ন প্রজাতির লাখ টাকার গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী গৃহায়ণ ও গণপুর্ত অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী মোঃ রুবেল আহমেদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রভাব খাটিয়ে তিনি ওই গাছ স্থানীয় জলিল বেপারীর কাছে এক লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। ইতোমধ্যে গত দুইদিন ধরে শ্রমিক দিয়ে গাছ কেটে স্তুপ করে সোমবার রাতে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড আমতলীর চুনাখালী এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করে এবং বাঁধ রক্ষায় দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

জলিল বেপারী বলেন, “রুবেল আহমেদ আমার কাছে এক লাখ টাকায় গাছ বিক্রি করেছেন। এর মধ্যে ২০ হাজার টাকা তিনি নিয়েছেন, বাকি টাকা গাছ বিক্রির পর দেয়া হবে।” অভিযুক্ত রুবেল আহমেদ স্বীকার করে বলেন, “সরকারি জমির গাছ কেটে বিক্রি করা আমার ভুল হয়েছে। আমি প্রায় ১৬ হাজার টাকার গাছ বিক্রি করেছি। আর গাছ কাটা হবে না।”

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁন জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হান্নান প্রধান বলেন, “লোক পাঠানো হয়েছে। দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সফিউল আলম জানিয়েছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, কঠোর পদক্ষেপ না নিলে চুনাখালী বাঁধের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকায় থাকা গাছ একে একে কেটে ফেলা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..