শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হরিরামপুরে বহিষ্কৃত যুবদল নেতার স্ত্রী পেলেন সার ডিলার রূপগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর সৌজন্য সাক্ষাৎ মিরপুরে অনুমোদনহীন ৩ তলা ভবন! নির্মাণ বন্ধ ও অনুমোদনপত্র জমা দেয়ার নির্দেশ রাজউকের আদমদীঘি বিদ্যাবীথি মডেল স্কুলের বার্ষিক বনভোজন ও পুরষ্কার বিতরণী আদমদীঘিতে ফুটবল টুর্নামেন্টে চাঁপাপুরকে হারিয়ে ফাইনালে সান্তাহার, ২৩ অক্টোবর মুখোমুখি দুই প্রশাসক আমতলীতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন, নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিআইজির নির্দেশনা ১৯ বছর পর চালু হচ্ছে সন্ন্যাসী-কলারণ ফেরি, কমবে বরিশাল-মোংলা যোগাযোগের দূরত্ব মোরেলগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মাহমুদা খানমকে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রবাসীদের যথাযথ মর্যাদা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজাপুর-কাঠালিয়াবাসীকে নিউ ইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজার শুভেচ্ছা

আমতলীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ কেটে সাবাড়

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৯৩৭ বার পঠিত
আমতলীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ কেটে সাবাড় ------- সংগৃহীত ছবি

বরগুনার আমতলী উপজেলার চুনাখালী বাজার স্লুইজগেট সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দুই পাশের শতাধিক মেহগনি, রেইন্টি ও চাম্বলসহ বিভিন্ন প্রজাতির লাখ টাকার গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী গৃহায়ণ ও গণপুর্ত অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী মোঃ রুবেল আহমেদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রভাব খাটিয়ে তিনি ওই গাছ স্থানীয় জলিল বেপারীর কাছে এক লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। ইতোমধ্যে গত দুইদিন ধরে শ্রমিক দিয়ে গাছ কেটে স্তুপ করে সোমবার রাতে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড আমতলীর চুনাখালী এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করে এবং বাঁধ রক্ষায় দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

জলিল বেপারী বলেন, “রুবেল আহমেদ আমার কাছে এক লাখ টাকায় গাছ বিক্রি করেছেন। এর মধ্যে ২০ হাজার টাকা তিনি নিয়েছেন, বাকি টাকা গাছ বিক্রির পর দেয়া হবে।” অভিযুক্ত রুবেল আহমেদ স্বীকার করে বলেন, “সরকারি জমির গাছ কেটে বিক্রি করা আমার ভুল হয়েছে। আমি প্রায় ১৬ হাজার টাকার গাছ বিক্রি করেছি। আর গাছ কাটা হবে না।”

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁন জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হান্নান প্রধান বলেন, “লোক পাঠানো হয়েছে। দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সফিউল আলম জানিয়েছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, কঠোর পদক্ষেপ না নিলে চুনাখালী বাঁধের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকায় থাকা গাছ একে একে কেটে ফেলা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..