শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গোলাপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি অফিসের চেয়ারে বসে তরুণীর টিকটক ভিডিও আমতলীতে যুবদল নেতার জামায়াতে যোগদান মুরাদনগরে সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন নেত্রকোনার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান ভূতাইল সেতুবন্ধন প্রবাসী মানব কল্যাণ সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা রংপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেরিনা লাভলীর বাসায় পুলিশের তল্লাশি তাড়াইলে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের প্রদর্শনী, কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ বেতাগীতে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আমতলীতে কলেজ ছাত্রী অপহরণ মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার বন্ধ হচ্ছে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি সহ তিন স্থলবন্দর-উপদেষ্টা পরিষদ যে বয়সে বই-খাতা হাতে স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে অটোরিকশার স্টিয়ারিং হাতে শিশুরা

যে বয়সে বই-খাতা হাতে স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে অটোরিকশার স্টিয়ারিং হাতে শিশুরা

রায়হান চৌধুরী, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৭৬১ বার পঠিত
যে বয়সে বই-খাতা হাতে স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে অটোরিকশার স্টিয়ারিং হাতে শিশুর------ সংগৃহীত ছবি

যে বয়সে বই-খাতা হাতে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার স্টিয়ারিং ধরে রাস্তায় নামছে শিশুরা। মুরাদনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন প্রায়শই দেখা যায়, কোমলমতি স্কুলগামী শিশুদের একাংশ জীবিকার তাগিদে ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চালাচ্ছে।

শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজ সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এভাবে শিশুদের শিক্ষা জীবন ব্যাহত হলে ভবিষ্যতে তারা হয়ে পড়বে অশিক্ষিত ও দক্ষতাহীন প্রজন্ম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাতে শিশুদের কোনো প্রশিক্ষণ নেই। ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। একই সঙ্গে শিশুরা পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, যা সমাজ ও দেশের জন্য বড় হুমকি।

উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এসব ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকদের কোনো লাইসেন্স প্রদান করা হয়নি। তবুও অবাধে রাস্তায় চলছে হাজারো ব্যাটারি চালিত রিকশা। শিশু চালকদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে তারা নিজেরা যেমন ঝুঁকির মধ্যে থাকছে, তেমনি যাত্রী ও পথচারীর জন্যও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

এক অভিভাবক বলেন, পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই ছেলে রিকশা চালায়, না হলে সংসার চলবে না। তবে এভাবে শিশুদের কাজে লাগানোকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন অনেকেই।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা শিশু শ্রম ও অবৈধ যান চলাচল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে শিশু শ্রম বন্ধ এবং এসব শিশুদের বিদ্যালয়ে ফেরানোর উদ্যোগ চান।

শিক্ষকরা বলছেন, শিশুদের স্কুল থেকে ঝরে পড়া শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় ক্ষতি। তাই তাদের আবারো বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে সরকার ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..