মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত : সিইসি ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি গড়ে দেবে : উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও আইজিপির শ্রদ্ধা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে হাতপাখা প্রতীকের শক্তি প্রদর্শন: প্রার্থীর নেতৃত্বে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বেগম খালেদা জিয়াকে বিষ দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল : সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রিকশার শোডাউন: মুফতি হাদীর প্রচারণায় উৎসবমুখর শহর মির্জাগঞ্জের নবাগত ইউএনও’র সাথে এমজেএফ নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ জনশক্তি রপ্তানি: মালয়েশিয়া ‘চক্রের হোতা’ স্বপনের ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ কিন্ডারগার্টেনের জন্য সরকারি নীতিমালার আশ্বাস আমিনুল হকের

টেন্ডার ছাড়াই খানা প্লেট তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫৭৭৮ বার পঠিত

টেন্ডার ছাড়াই বরগুনার আমতলী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁনের বিরুদ্ধে পৌর এলাকার ৭ হাজার খানা প্লেট তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ‘দেশ মঙ্গল পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’ নামের একটি নামমাত্র প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এ কাজ করানো হচ্ছে এবং ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাক্ষরবিহীন রশিদে ৫০ টাকার প্লেটের জন্য ১৫০ টাকা করে আদায় করছেন। এতে পৌরবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সূত্র জানায়, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম শ্রেণির আমতলী পৌরসভায় প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ বসবাস করেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পৌরসভার ৭ হাজার পরিবারের জন্য খানা প্লেট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সময় টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতি প্লেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০ টাকা।

তবে গত ১৩ মে ইউএনও রোকনুজ্জামান খাঁন পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর টেন্ডার ছাড়াই নতুনভাবে ১৫০ টাকা নির্ধারণ করে কাজটি ‘দেশ মঙ্গল পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে করানোর নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাক্ষরবিহীন রশিদে টাকা নিচ্ছেন।

পৌরসভার মাজার রোড এলাকার মিজানুর রহমান তালুকদার ও মন্নান বয়াতি বলেন, ৫০ টাকার প্লেটের জন্য ১৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

সবুজবাগ এলাকার গাজী ইউসুফ, সৈয়দ নজির আহম্মেদ ও নিলুফার ইয়াসমীন বলেন, আমরা নিয়মিত পৌর কর পরিশোধ করি। এরপরও অতিরিক্ত টাকা আদায় অন্যায়।

পৌরসভার একাধিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পৌর প্রশাসক রোকনুজ্জামান খাঁন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের সিদ্ধান্তে কোন রেজুলেশন বা টেন্ডার ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেশ মঙ্গল পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মালিক দেলোয়ার আকন বলেন, পৌর প্রশাসক অনুমতি দিয়েছেন, তাই আমরা কাজ করছি।

পৌর সচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা আমার জানা নেই।

অন্যদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। পৌর প্রশাসক ও সচিবই বিষয়টি জানেন।

এ বিষয়ে জানতে পৌর প্রশাসক ও ইউএনও মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁনের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

পৌরবাসী বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..