রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরে নওরীন নামের গৃহবধূর মৃত্যু ঘিরে রহস্য হযরত কায়েদ সাহেব হুজুর রহ.এর ১৮তম ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আমতলী উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিবকে দশ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় ঠিকাদারকে পিটিয়ে জখম আমরা কেমন? প্রিয় নবী (সা.) কেমন ছিলেন? এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ডের মেগা সেলিব্রেশন: নতুন তারকাদের সম্মাননা পটুয়াখালীতে তাড়াইলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ নির্যাতন: স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা মোরেলগঞ্জে সৌদি প্রবাসীর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকি—থানায় মামলা রাজাপুর-কাঠালিয়ার রাজনীতির অগ্নিপুরুষ: রাজপথ থেকে গণমানুষের হৃদয়ে হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা আমতলীতে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু: তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধার অভিযোগ বেতাগী উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক: হুইলচেয়ার ও ঢেউটিন বিতরণ

লাভজনক হওয়ায় হরিরামপুরে বেড়েছে ‘কালো সোনার’ চাষ

জুবায়ের আহমাদ জুয়েল (কিশোরগঞ্জ সদর):
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৯১৪ বার পঠিত

সাদা ফুল ও কালো বীজ, স্বর্ণের মত দাম। তাই কৃষক সহ সবার কাছে এর পরিচিতি ‘কালো সোনা’ নামে। দুর থেকে দেখে মনে হতে পারে সাদা কোন ফুলের বাগান। আর এই সাদা ফুলের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।

‘কালো সোনা’ ক্ষ্যাত এই পেঁয়াজের বীজের কদর রয়েছে সারা দেশব্যাপী। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে হরিরামপুরের মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে পেঁয়াজ বীজের সাদা ফুল। উপজেলার গালা, বাল্লা, চালা, গোপীনাথপুর সহ প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই ব্যাপক পরিমানে চাষ করা হয়েছে পেঁয়াজের বীজের।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্বিগুণ লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা।

গালা ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামের কৃষক মাইনদ্দিন ফকির জানান, এই ফসলে আমাদের ভালো লাভ থাকে। আমি গত দশ বছর ধরে পেঁয়াজ বীজের আবাদ করে থাকি। এবছর আমি ১৫ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের বীজ চাষ করেছি। আশা করছি নিজের চাহিদা মিটিয়েও কিছু বীজ বিক্রি করে লাভবান হতে পারবো।

বাল্লা ইউনিয়নের বৈকা গ্রামের কৃষক মোঃ ফারুক বলেন, এবছর আমি ৪৩ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ বীজ চাষ করেছি। ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছি। বিভিন্ন রোগবালাইয়ের জন্য কীটনাশক স্পে করতে হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে দেড় লাখ টাকার ওপরে বীজ বিক্রির আশা করছেন তিনি।

রাজার কলতা গ্রামের কৃষক সুভাষ মজুমদার বলেন, গত বছর বীজের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর আগ্রহ নিয়ে বেশি জমিতে পেঁয়াজ বীজের আবাদ করেছি। বাড়িতে সংগ্রহ করা পেঁয়াজ থেকেই এবছর আমি ২৫ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ বীজ চাষ করেছি। অনেকেই পেঁয়াজ কিনে চাষ করেন। তাদের খরচ বেশি হয়, লাভ কম হয়। পাশাপাশি অন্য খরচও থাকে।

এ বিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: তৌহিদুজ্জামান খান বলেন, হরিরামপুর উপজেলায় চলতি অর্থ বছরে ২৫ হেক্টর জমিতে পেয়াজ বীজ  উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর পেয়াজ বীজের সাথে সম্পৃক্ত কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। আশা করা যাচ্ছে, এ বছর পেয়াজ বীজ  উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা  ছাড়িয়ে যাবে।

এছাড়া আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষকরা যাতে বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করতে পারেন, এজন্য উপজেলা কৃষি অফিস বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ থেকে বাজারজাত করা পর্যন্ত পরামর্শের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..